কাস্টমাইজড ধর্ম

ধর্মকে যেদিন থেকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করা শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই ন্যায় বিক্রি হয়েছে অন্যায়ের কাছে, শান্তি বিক্রি হয়েছে অশান্তির কাছে, সুবিচার বিক্রি হয়েছে অবিচারের কাছে।

তাই আমরা এই ধর্মের প্রভাব বড়জোর বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানে দেখতে পাই। ঠিক একটা খোলসের মত, যার প্রকৃত নির্যাস, মূলরস নেই। যেমন- আমাদের সমাজে পরিপাটি ধার্মিক, ধর্মের কোলাহল-আহ্বান আছে কিন্তু ন্যায়-শান্তি-সুবিচার নাই।
অবস্থা এমন হয়েছে যে, পৃথিবীতে ধর্মের যে প্রকৃত উদ্দেশ্য সেটাকেই আমরা ভুলে গেছি, বিশ্বাস করতে চাই না, লালন করতে চাই না। কারণ, করতে গেলেও এক বিরাট সমস্যা, ধর্মের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিরাট প্রশ্নের উদ্ভব হবে!

তাই আমরা নিজেরা ধর্মকে কাস্টমাইজ (নিজের মত করে) করে চর্চা করছি, লালন করছি, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ওভাবে রেখে যাচ্ছি।

কিন্তু এভাবে আর কতদিন। যারা ‘অন্ধবিশ্বাস’ এর বিপরীতে বিবেকবোধ-যুক্তিবোধ, বাস্তবতাবোধের চিন্তা করে, যারা সমাজ-রাষ্ট্র পরিবর্তনের চিন্তা করে তাদের কাছে এই ‘কাস্টমাইজড ধর্ম’ বিশাল ব্যবধানে অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *